ইউনাইটেড পিপলস বাংলাদেশ (আপ বাংলাদেশ) কুষ্টিয়াতে গণসংযোগ ও মতবিনিময় সভা করেছে। ২০/০৭/২০২৫ ইং: রবিবার দিনব্যাপী এই কর্মসূচী পালিত হয়। সংগঠনটির প্রধান সমন্বয়কারী ‘রাফে সালমান রিফাত’ ও অন্যতম সংগঠক দ্বীন ইসলামের উপস্থিতিতে কুষ্টিয়ার বিপুল সংখ্যক নেতৃবৃন্দ কর্মসূচীতে অংশগ্রহণ করেন।

(২৪ এর গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী নতুন রাজনৈতিক দল)
সকাল ১০টায় কুষ্টিয়ার চৌড়হাস মোড় থেকে নেতাকর্মীরা মোটরসাইকেল ও মাইক্রোবহর নিয়ে কুমারখালীর কয়া ইউনিয়নে শহীদ আবরার ফাহাদের কবর জিয়ারত করতে যান। সেখান থেকে তারা যান হাটশ হরিপুর গোরস্থানে এবং সেখানে জুলাই বিপ্লবের তিন শহীদের কবর জিয়ারত করেন। উভয় কবর জিয়ারতে নবগঠিত রাজনৈতিক দল আপ বাংলাদেশের প্রধান সমন্বয়কারী রাফে সালমান রিফাত নিজে মোনাজাত পরিচালনা করেন। পরে শহরের এনএস রোড ও চৌড়হাস মোড় এলাকার ব্যবসায়ী ও পথচারীদের মধ্যে দলের লিফলেট বিতরণ ও গণসংযোগ কর্মসূচী পালন করেন। এসময় জনগণের মাঝে আপ বাংলাদেশের লক্ষ্য উদ্দেশ্য ও পরিকল্পনা তুলে ধরেন কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ।
বিকেল চারটায় কুষ্টিয়া জেলা শিল্পকলা একাডেমির তৃতীয় তলার সেমিনার কক্ষে অনুষ্ঠিত হয় মতবিনিময় সভা। এসময় কুষ্টিয়ায় জুলাই বিপ্লবে যারা আহত ও পঙ্গুত্ব বরণ করেছেন সেইসব বীর সেনানী ও ভুক্তভোগী পরিবারগণ তাদের স্মৃতিচারণ করেন। স্মৃতিচারণ করা কালে উপস্থিত নেতৃবৃন্দের চোখ ছলছল করতে দেখা যায়। আহত ও পঙ্গু জুলাই যোদ্ধারা অতিসত্বর ‘জুলাই ঘোষণাপত্র’ ঘোষণা করার জোর দাবি জানান। সংগঠনটির অন্যতম কেন্দ্রীয় সংগঠক সুলতান মারুফ তালহা’র সভাপতিত্বে বক্তৃতা করেন জুলাই রেভুলুশনারি এ্যালায়েন্সের আহ্বায়ক হাফিজ আল মাসুম। তায়েফ হাসানের উপস্থাপনায় আরও বক্তব্য রাখেন আব্দুর রহমান, শাহিন রিকু, কেন্দ্রীয় নেতা দ্বীন ইসলাম ও কেন্দ্রীয় সমন্বয়কারী ‘রাফে সালমান রিফাত’। উল্লেখ্য যে, ‘রাফে সালমান রিফাত’ ছিলেন জুলাই বিপ্লবের ৯ দফা প্রণয়নের অন্যতম কারিগর।