এই উদ্যোগ কেবল শহরের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করছে না, বরং একটি পরিবেশবান্ধব, স্বাস্থ্যকর ও বাসযোগ্য নগরী গঠনের পথও সুগম করছে।
প্রকৌশলী জাকির হোসেন সরকারের সরাসরি তত্ত্বাবধানে কুষ্টিয়া শহরের ব্যস্ততম সড়ক দ্বীপগুলো, বিশেষত বটতৈল থেকে ত্রিমোহনী পর্যন্ত,পরিণত হয়েছে রঙিন ফুল ও সবুজ গাছের ছোট ছোট বাগানে। এসব সজ্জিত বাগান পথচারী ও যাত্রীদের নজর কাড়ে, শহরে এনে দেয় এক প্রশান্তির পরিবেশ।
‘ক্লিন কুষ্টিয়া গ্রীন কুষ্টিয়া’ নামক এই স্বেচ্ছাসেবী উদ্যোগের মাধ্যমে তিনি শহরের বিভিন্ন এলাকায় বাহারি ও সৌন্দর্যবর্ধক গাছ রোপণের কার্যক্রম চালু করেছেন। এ কর্মসূচির মাধ্যমে রোপিত গাছপালাগুলো কেবল শহরের রূপকে উজ্জ্বল করছে না, বরং তাপমাত্রা হ্রাস, ধূলিকণা নিয়ন্ত্রণ ও পরিবেশ সংরক্ষণের ক্ষেত্রেও ইতিবাচক প্রভাব ফেলছে।
পরিবেশ রক্ষায় সচেতন দৃষ্টিভঙ্গি থেকে প্রকৌশলী জাকির হোসেন সরকারের এ ধরনের উদ্যোগ ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি বাসযোগ্য কুষ্টিয়া নির্মাণে সহায়ক হবে বলে মনে করেন কুষ্টিয়াবাসী। তিনি প্রমাণ করেছেন, ইচ্ছা আর উদ্যোগ থাকলেই ব্যক্তি পর্যায় থেকেও শহরের পরিবেশ ও সৌন্দর্য রক্ষায় ভূমিকা রাখা সম্ভব।
জনসাধারণের প্রশংসা ও উৎসাহ এই উদ্যোগকে ইতিমধ্যে শহরবাসীর মনকে আকৃষ্ট করেছে। অনেকেই তাঁর এ কর্মপ্রচেষ্টাকে সাধুবাদ জানিয়েছেন। জাকির সরকার শহরের অন্যান্য সচেতন নাগরিকদেরকেও এসকল কাজগুলোতে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন।
কুষ্টিয়াকে পরিচ্ছন্ন, সবুজ ও নান্দনিক শহর হিসেবে গড়ে তুলতে প্রকৌশলী জাকির হোসেন সরকারের এই উদ্যোগ নিঃসন্দেহে অনুকরণীয়। তাঁর এই দূরদর্শী চিন্তা ও নিরলস পরিশ্রমের ফলে আজ কুষ্টিয়া শহর নতুন রূপে সেজে উঠছে, যা ভবিষ্যতে একটি মডেল শহর হিসেবে দেশবাসীর সামনে উপস্থাপন করা সম্ভব হবে বলে মনে করেন, সাংস্কৃতিক রাজধানী খ্যাত কুষ্টিয়াবাসী।