• মঙ্গলবার, ০৫ মে ২০২৬, ০২:৫৫ অপরাহ্ন
সর্বশেষ
কুষ্টিয়া প্রেসক্লাব কেপিসি’র বার্ষিক সাধারণ সভায় আহবায়ক কমিটির আত্মপ্রকাশ কুষ্টিয়ায় ১১দলীয় ঐক্যজোটের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ ইসলাম ধর্ম বিকৃতকারী কথিত পীর শ্রী শামীম রেজার দাফন সম্পন্ন কুষ্টিয়ার তরুণ আলেম মরহুম জাহিদ হাসান স্বরণে স্মৃতিচারণ ও দোয়া মাহফিল কুষ্টিয়া কুমারখালীতে সরকারি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে হত্যাচেষ্টা মামলা: এলাকায় চাঞ্চল্য ইমাম গাজ্জালী সমাজ উন্নয়ন সংস্থার আয়োজন ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত খেলাফত মজলিস কুষ্টিয়া শহর শাখার আয়োজন:ঐতিহাসিক বদর দিবস পালন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস কুষ্টিয়া জেলা শাখার ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত ওসমান হাদি হত্যা মামলার প্রধান আসামি ফয়সালসহ ২জন ভারতে গ্রেফতার কুষ্টিয়ার ইউনিয়ন চেয়ারম্যান আজাদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রীয় সম্পদ আত্মসাৎএর অভিযোগ

কুষ্টিয়ার ইউনিয়ন চেয়ারম্যান আজাদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রীয় সম্পদ আত্মসাৎএর অভিযোগ

সাইফ উদ্দীন আল-আজাদ, সম্পাদকীয় প্রতিবেদক: / ২০৮ Time View
Update : রবিবার, ৮ মার্চ, ২০২৬

সরকারের দেওয়া পুষ্টি চাউলে মিল মালিকদের সাথে আবুল কালাম আজাদ এর বিরুদ্ধে স্বজনপ্রীতি করার অভিযোগ উঠেছে। কুষ্টিয়া সদর উপজেলার বটতৈল ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ। বটতৈল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছিলেন মিজানুর রহমান মিন্টু ফকির, ৫ই আগস্ট এর পরে মিজানুর রহমান মিন্টু চেয়ারম্যানের অবস্থান হয় কারাগারে, তারপর থেকে আর পিছু ফিরে তাকাতে হয়নি আবুল কালাম আজাদকে। তিনি হয়ে যায় ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান, দুই তিন জন মেম্বারকে সাথে নিয়ে চলছে তার ঘরে লুটের কারবার, যেমন ইউনিয়নের রাস্তাঘাট- ব্রিজ কালভার্ট এর নামে লুটে নিয়েছে কোটি কোটি টাকা, সরকারি কোনো বাজেট আসলে স্থানীয়ভাবে শক্তিশালী ও ক্ষমতাসীন কিছু মেম্বারদের সাথে নিয়ে ভাগ বাটোয়ারা করে দেদারসে চলছে আবুল কালাম। এমনটিই অভিযোগ তুলেছেন বটতৈল ইউনিয়নের ভুক্তভোগী জনসাধারণ। এছাড়াও বর্তমান সরকার কর্তৃক বরাদ্দ স্বল্প মূল্যের চাউল আটা তৈল ইত্যাদি পণ্য নিতে যে কার্ড লাগছে এগুলোতেও চলছে স্বজনপ্রীতি, জানা গেছে ক্ষমতাবানেরা ও পয়সাওয়ালারা পাচ্ছে টিসিবির পণ্য ক্রয়ের কার্ড,আর বঞ্চিত হচ্ছেন দরিদ্ররা। আবুল কালাম আজাদের দরবার থেকে ফিরে আসা ভুক্তভোগীরা অভিযোগ করে বলেন, আমরা অসহায় দরিদ্র মানুষ- আমাদের একটি কার্ড করতে গেলে ইউনিয়ন পরিষদ থেকে দুর দূর করে তাড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে। এদিকে আরও অভিযোগ রয়েছে, কার্ড দেওয়ার সময় ৫০ টাকা করে আদায় করেছে ইউনিয়ন পরিষদের নিজ নিজ ওয়ার্ডের মেম্বাররা। বিস্তারিত আরও আসছে আগামী পর্বে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category