কুষ্টিয়ার খোকসায় বিয়ের আগের রাতে কনের বাড়িতে ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। এসময় ডাকাত দল অস্ত্রের মুখে বিয়ের গহনা ও টাকা লুট করে নিয়ে যায়। শনিবার (১৯ জুলাই) গভীর রাতে উপজেলা শিমুলিয়া ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের ইসলামপুর গ্রামের বিধান রায়ের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। এসময় থমকে গিয়েছিল বিবাহ অনুষ্ঠান। টাকা, গহনা থেকে শুরু করে খাবারের বাজার টুকুও ডাকাতেরা ছেড়ে যায়নি। কন্যাকে নিয়ে পুরো পরিবারের ডুকরে কাঁদা ছাড়া যখন আর কোন উপায় অবশিষ্ট নেই, তখন খবর পেলেন কুমারখালী খোকসার বিশিষ্ট ব্যসায়ী ও জনগণের আস্থাভাজন ব্যক্তি আলহাজ্ব আনোয়ার খাঁন।
এবিষয়ে ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশ কুষ্টিয়া জেলা শাখার সেক্রেটারি জিএম তাওহীদ আনোয়ার আজাদীর কন্ঠ কে বলেন, আমি মাঝে মাঝে আলহাজ্ব আনোয়ার খানের অনেক কাজ দেখেই আশ্চর্য হই। তিনি কোন মিডিয়া ট্রায়াল বা অন্য কারোর অপেক্ষা করেন নাই। নিরবে নিভৃতে গিয়েছেন তার বাড়িতে। শুনেছেন তাদের পরিবারের কথা। যথাযথ আইনানুগ ব্যবস্থা যেন পরিবারটি পায়, এজন্য চেষ্টা করেছেন সর্বাত্মক। শুধু এতটুকুতেই থেমে যাননি তিনি, পরিবারের বিবাহ যেন থেমে না যায় এজন্য পরিবারকে সাথে এনে বাজার-ঘাট থেকে শুরু করে নগদ অর্থ সহ যাবতীয় ব্যবস্থাপনাও করেছেন তিনি। সর্বশেষ বিয়ে বাড়িতে ডাকাতি হলেও থেমে যায়নি বিবাহ কার্যক্রম। এমন বিশাল মনের মানুষ ইদানিং পাওয়াই দুষ্কর। যিনি চিন্তা করেননি মিডিয়া ট্রায়ালের, যিনি কাজ করেছেন মানবতার জন্য। ইসলামের কাছে প্রতিটি ধর্ম গোত্রের মানুষ কতটা নিরাপদ, তার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত দিয়ে গেলেন আলহাজ আনোয়ার খাঁন।
জিএম তাওহীদ আনোয়ার আরও বলেন, আমি কুমারখালী খোকসার একজন সাধারণ নাগরিক হিসেবে এতোটুকু বলতে পারি, এমন ব্যক্তিকে এই কুমারখালী খোকসার অভিভাবক হিসেবে পাওয়া, এটা আমাদের জন্য বড়ই ভাগ্যের। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ খোকসা উপজেলা সভাপতি থেকে উনি যেন সত্যি যে মানুষের হৃদয়ের কোণে অভিভাবকের জায়গা করে নিয়েছেন। কৃষক, শ্রমিক, মজদুর ও মেহনতী মানুষের সকল ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে আস্থাভাজন ব্যাক্তি,ভাই, বন্ধু-স্বজন হয়ে উঠেছেন। উল্লেখ্য, ইসলামি আন্দোলন বাংলাদে মনোনীত কুষ্টিয়া-৪ (কুমারখালি-খোকসা) আসনের এমপি প্রার্থী আলহাজ্ব আনোয়ার খান।