• মঙ্গলবার, ০৫ মে ২০২৬, ০৭:০৫ অপরাহ্ন
সর্বশেষ
কুষ্টিয়া প্রেসক্লাব কেপিসি’র বার্ষিক সাধারণ সভায় আহবায়ক কমিটির আত্মপ্রকাশ কুষ্টিয়ায় ১১দলীয় ঐক্যজোটের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ ইসলাম ধর্ম বিকৃতকারী কথিত পীর শ্রী শামীম রেজার দাফন সম্পন্ন কুষ্টিয়ার তরুণ আলেম মরহুম জাহিদ হাসান স্বরণে স্মৃতিচারণ ও দোয়া মাহফিল কুষ্টিয়া কুমারখালীতে সরকারি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে হত্যাচেষ্টা মামলা: এলাকায় চাঞ্চল্য ইমাম গাজ্জালী সমাজ উন্নয়ন সংস্থার আয়োজন ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত খেলাফত মজলিস কুষ্টিয়া শহর শাখার আয়োজন:ঐতিহাসিক বদর দিবস পালন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস কুষ্টিয়া জেলা শাখার ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত ওসমান হাদি হত্যা মামলার প্রধান আসামি ফয়সালসহ ২জন ভারতে গ্রেফতার কুষ্টিয়ার ইউনিয়ন চেয়ারম্যান আজাদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রীয় সম্পদ আত্মসাৎএর অভিযোগ

নারীদের জন্য ফরজ বিধান পর্দা: হিজাব পড়ে মুখমন্ডল খুলে রাখা ইসলামে হারাম

সাইফ উদ্দীন আল-আজাদ, সম্পাদকীয় প্রতিবেদক: / ১৮৯ Time View
Update : শনিবার, ৭ মার্চ, ২০২৬
নারীর মুখ পর্দার ক্ষেত্রে অধিক গুরুত্বপূর্ণ।

ইসলামে নারীর ও পুরুষের শালীনতা, পর্দা এবং আচরণের নির্দেশনা অত্যন্ত স্পষ্ট। এই নির্দেশনার লক্ষ্য হলো ব্যক্তির আত্মসম্মান রক্ষা, সমাজে নিরাপত্তা নিশ্চিত এবং আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন করা।এই বিষয়টি মাথায় রেখে ধার্মিক নারীরা পর্দা করে থাকেন। তবে তাদের মধ্যে অনেককেই দেখা যায় মুখ খোলা রেখে অন্য অংশ ঢেকে রাখেন। এখন প্রশ্ন ওঠে, মুখমণ্ডল খোলা রেখে পর্দা করা কি যথেষ্ট? ‎কুরআন-হাদিসের বক্তব্য পবিত্র কুরআনে নারীদেরকে বাইরে গমনকালীন মুহুর্তে পূর্ণ পর্দা পালনের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। এ প্রসঙ্গে আল্লাহ তায়ালার সুস্পষ্ট নির্দেশ, ‘হে নবী! আপনি আপনার স্ত্রী, কন্যা এবং মু’মিন নারীদেরকে বলুন, তারা যেন (প্রয়োজনে বাইরে যাওয়ার সময়) তাদের (পরিহিত) জিলবাবের একাংশ নিজেদের উপর টেনে দেয়। এতে তাদেরকে চেনা সহজ হবে ফলে তাদেরকে উত্যক্ত করা হবে না। আর আল্লাহ অত্যন্ত ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।’ (সূরা আহযাব: ৫৯)‎ এ আয়াত স্পষ্ট করে দিয়েছে যে, পর্দার হুকুম কেবল নবী-পত্নীদের জন্য বিশেষ নয়; বরং সব মুসলিম নারীদের জন্য ব্যাপক। তাদেরকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, তারা যখন কোন প্রয়োজনে ঘরের বাইরে যায়, তখন যেন তাদের চাদর মুখের উপর টেনে দেয় এবং এভাবে তাদের চেহারা ঢেকে রাখে। বোঝা যাচ্ছে, পথ-ঘাট দেখার জন্য কেবল চোখ খোলা থাকবে এবং তা বাদে চেহারার অবশিষ্টাংশ ঢেকে রাখবে। এর এক পদ্ধতি তো এই হতে পারে যে, যে কাপড় দ্বারা সমগ্র শরীর ঢাকা যায়, তার একাংশ চেহারায় এমনভাবে পেচিয়ে দেওয়া হবে, যাতে চোখ ছাড়া আর কিছু খোলা না থাকে। আবার এমনও হতে পারে যে, এজন্য আলাদা নেকাব ব্যবহার করা হবে‎আর নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘নারীকে তার মাহরাম পুরুষের ছাড়া অন্য পুরুষের সামনে আত্মপ্রকাশ করা উচিত নয়।’ (বুখারি, মুসলিম)

কুরআন ও হাদিসের এই সকল বক্তব্য স্পষ্ট করে দেয় যে, নারীর মুখ পর্দার ক্ষেত্রে অধিক গুরুত্বপূর্ণ। ইমাম কুরতুবী রহ. বলেন, জিলবাব হলো নারীর এমন পোশাক যা দিয়ে তারা পুরো দেহ ঢেকে রাখে। অর্থাৎ বাইরে গমনের সময় দেহের সাধারণ পোশাক- জামা, পাজামা, ওড়না ইত্যাদির উপর আলাদা যে পোশাক পরিধান করার মাধ্যমে নারীর আপাদমস্তক আবৃত করা যায় তাকে জিলবাব বলা হয়। আমাদের দেশে যা বোরকা নামে পরিচিত।।এ থেকে বুঝা যায় যে, বাইরে গমনের সময় বোরকা পরিধান করে আপাদমস্তক আবৃত করে বের হওয়া আবশ্যক। আর আয়াতে জিলবাবের একাংশ নিজেদের উপর টেনে দেয়ার যে নির্দেশ দেয়া হয়েছে, তা দ্বারা উদ্দেশ্য হলো মাথা ও মুখমণ্ডল ঢেকে নেয়া। যা সাহাবী, তাবেয়ী ও নির্ভরযোগ্য মুফাসসিরদের তাফসীর থেকে প্রতিভাত হয়। সুতরাং অনেকে মতভেদ ও মনে করেন মুখটা খোলা রাখা যাবে, কিন্তু হিজাব পড়ে মুখ খোলা রাখাকে ইসলাম সম্পূর্ণরুপে হারাম করেছেন। সাধারণ বেপর্দা নারীদের থেকে শাস্তি তাদের বেশি হবে, যারা পর্দা না করে পর্দার মতো করে চিন্তা করে হিজাব পড়ে মুখ খোলা রাখেন। কেননা এটা সম্পূর্ণ ইসলামী শরিয়াহ কে বৃদ্ধাঙুলি দেখানোর শামিল।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category