কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালে চুরির ভিডিও চিত্র ধারণ করতে গেলে পুলিশের হাতে চিএ সাংবাদিক লাঞ্ছিত হওয়ার অভিযোগ উঠেছে। শনিবার কুষ্টিয়া ২৫০শয্যা বিশিষ্ট সদর হাসপাতালের হসপিটাল ক্যাম্প পুলিশের হাতে লাঞ্ছিত হয়েছেন গ্লোবাল টিভির চিত্র সাংবাদিক মামুন। হাসপাতালে আগত রোগীরা বলেন, হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের অবহেলায় বেড়েই চলেছে কুষ্টিয়া ২৫০ সয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে একের পর এক চুরির ঘটনা। চোরেরা রোগী ও তাঁদের স্বজনদের কাছ থেকে টাকা, মোবাইলসহ বিভিন্ন মূল্যবান সামগ্রী চুরি করে নিয়ে যাচ্ছে। চুরি হয়ে যাচ্ছে হাসপাতালের পিপিআর ল্যাবের যন্ত্রাংশ, লোহার গ্রিল, বিদ্যুতের তার, পাখা ও এসির যন্ত্রাংশ।হাসপাতাল ক্যাম্প পুলিশের নীরব ভূমিকায় চুরির ঘটনা ঘটছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা। এদিকে লাঞ্ছনার শিকার গ্লোবাল টেলিভিশনের ক্যামেরা পার্সন মামুন জানান, গড ১৮ জুলাই-২৫ শনিবার সকালে এক মহিলা চোরকে ৭হাজার টাকা সহ আটক করে রোগী স্বজনেরা। সেই ভিডিও চিত্র ধারণ করতে গেলে হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ লিখন বাধা প্রদান করে এবং আমার আইডি কার্ড সিনিয়ে নেয়। এছাড়াও সরজমিনে গেলে জানা যায়, কুষ্টিয়া ২৫০ সয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে অন্তঃসত্ত্বা মেয়েকে চিকিৎসাসেবা নিতে আসা কুষ্টিয়া দৌলতপুরের খলিসাকুন্ডি ইউনিয়নের খোওয়ারপাড়া গ্রামের রহমান (৫০) এর মানিব্যাগ চুরি হয়েছে। তিনি বলেন, মেয়েকে নিয়ে তিনি এ হাসপাতালে এসেছিলেন। রাতে তিনি মহিলা ওয়ার্ডের বারান্দায় ঘুমিয়ে ছিলেন। এ সময় চোর তাঁর মানিব্যাগটি চুরি করে নিয়ে যায়। মাই টিভির কুষ্টিয়ার চিত্র সাংবাদিক আরিফ সংবাদ সংগ্রহ করতে আসলে হাসপাতাল থেকে তার মোটরসাইকেল চুরি হয়েছে। নাম প্রকাশ না করার স্বার্থে স্থানীয় এক ব্যবসায়ী জানান, এইখানের চোর সিন্ডিকেটের সঙ্গে পুলিশের সম্পর্ক গভীর হওয়ার কারণে প্রতিদিনই চুরির ঘটনা ঘটেছে। তবে তার অভিযোগ করেন এই ক্যাম্পের ইনচার্জের সাথে এদের যোগ সাজোস করে প্রতিনিয়ত ঘটছে হাসপাতালে চুরি ছিনতাই এর মত ঘটনা ঘটেছে। এ বিষয়ে জেলা পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান বলেন, এবিষয়ে আমার জানা নেই,তবে আমরা এ বিষয়টা খতিয়ে দেখছি।